মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (৬ মে) এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, ইরান যদি সম্ভাব্য চুক্তির শর্তগুলো মেনে চলে, তবে দেশটির বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে।
- আন্ডারওয়ার্ল্ডের চেয়েও ভয়ংকর এখন সাইবারওয়ার্ল্ড
- * * * *
- ১৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- * * * *
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কুমিরের পেটে মিলল ব্যবসায়ীর দেহাবশেষ
- * * * *
- নারীর গোসলের ভিডিও ধারণ, হোটেলের ম্যানেজারসহ গ্রেফতার দুই
- * * * *
- ১৫ বছরের সূর্যবংশীকে ঘিরে ‘শিশুশ্রম’ বিতর্ক, রাজস্থানের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- * * * *
ইরান যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। তেহরান বর্তমানে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে আমেরিকার দেওয়া একটি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে এবং এর মধ্যেই ট্রাম্প জানিয়েছেন, একটি বড় ধরনের সমঝোতা হওয়া এখন ‘খুবই সম্ভব’।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমস্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেবে। হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসলামাবাদে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ইরান আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তেহরান ‘খুব মরিয়া হয়ে’ ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়।
চলমান অচলাবস্থা কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, মূল বিষয়টি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি ও পাল্টা হুমকির মধ্যেই যুদ্ধ এড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও জলসীমায় যুদ্ধ প্রস্তুতির তোড়জোড় এখনো লক্ষ্যণীয়।
একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পারমাণবিক শক্তিচালিত রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন-এর নেতৃত্বে এক বিশাল নৌবহর ইরানের জলসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, অন্যদিকে তেহরান তাদের সামরিক ভাণ্ডারে এক হাজারটি নতুন ড্রোন যুক্ত করে পাল্টা হুঙ্কার দিয়েছে।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে রাজধানী তেহরানে সরকারের পক্ষে বড় ধরনের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার তেহরানের কেন্দ্রস্থ এনগেলাব (বিপ্লব) স্কয়ারে হাজার হাজার মানুষ এ সমাবেশে অংশ নেন। তারা ইরান সরকারের প্রতি সমর্থন জানান এবং সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের স্মরণ করেন।